(বীর মুক্তিযোদ্ধা হালিমুল হক মিরু ও নিহত সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল)
সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার দৈনিক সমকাল পত্রিকার সাংবাদিক আঃ হাকিম
শিমুল নিহত হওয়ার বিষয়ে সিআইডি প্রদত্ত ফরেনসিক ব্যালিষ্টিক রিপোর্টে মেয়র মীরুর শটগানের
গুলিতে শিমুল নিহত হওয়ার প্রমান পাওয়া যায়নি। প্রশ্ন উঠেছে নিহত সাংবাদিক শিমুলের প্রকৃত হত্যাকারী কে এবং মেয়র মীরুর ৪
সহযোগীদের গুলিবিদ্ধ করেছিল কারা? এদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে বিচার হওয়া
অতীব জরুরী বলে সচেতন ও অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন। ফরেনসিক ব্যালিষ্টিক গবেষনাগারের পুলিশ পরিদর্শক ও ব্যালিষ্টিক
এক্সপার্ট, বাংলাদেশ পুলিশ, সিআইডি, ঢাকা’র মোঃ নজরুল ইসলাম কর্তৃক
স্বাক্ষরিত ২২.০২.২০১৭ তারিখে প্রদত্ত ব্যালিষ্টিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় "উদ্ধারকৃত শটগানের কার্তুজের সীসার বলের ওজন ০.৫৩ গ্রাম আর সাংবাদিক শিমুলের মাথায় পাওয়া সীসার বলের ওজন ০.৫০ গ্রাম। এছাড়া ব্যালাষ্টিক টেস্ট রিপোর্টের মতামতের ২ নং পয়েন্টে বলা হয়েছে যে, ক্রমিক নং ২ এ বর্ণিত ১২ বোরের ফায়ারড কার্তুজ এর পিছনে ফায়ারিং পিন
এর আঘাত ক্রমিক নং ১ এ বর্ণিত আলামত শটগানের ফায়ারিং পিন দ্বারা সৃষ্ট নয়। অর্থাৎ, মেয়র মিরুর লাইসেন্সকৃত শটগানের গুলিতে সাংবাদিক শিমুল মারা
যাননি, এটা স্পষ্টভাবেই প্রমাণিত বলা যায়।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, মেয়র হালিমুল হক মিরু শাহজাদপুরের জনপ্রিয় আওয়ামীলীগ নেতা। সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক ও শাহজাদপুর পৌরসভার দুইবারের নির্বাচিত মেয়র। ২০১৫ সালের পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন পান বীরমুক্তিযোদ্ধা হালিমুল হক মিরু। সেসময় দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন আব্দুর রহিম। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে আওয়ামীলীগ থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি। সেই থেকে আব্দুর রহিম মেয়র হালিমুল হক মিরুর বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় সাংসদ হাসিবুর রহমান এর প্রতিহিংসার রাজনীতিও যোগ দেয় যেকোনো মূল্যে মেয়র মিরুকে উৎখাত করার জন্য। ফলশ্রুতিতে শাহজাদপুর আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের মধ্যে বিভাজন দেখা দেয়। মেয়র মিরুকে উৎখাতের জন্য ভ্যাট বৃদ্ধির অজুহাতে আন্দোলন করতে থাকে রহিম ও সাংসদ পক্ষের মদদ পুষ্ট লোকজন। বর্তমানে সাংসদ স্বপনের আজ্ঞাবহ ভারপ্রাপ্ত মেয়র নাসির উদ্দিন দায়িত্ব নেওয়ার সাথে সাথে হাওয়ায় মিলিয়ে যায় ভ্যাট বৃদ্ধি আন্দোলন। শাহজাদপুরের স্থানীয় অনেকে মনে করেন, ০২/০২/২০১৭ইং সন্ত্রাসীরা মিছিলের নামে মেয়রকে হত্যার উদ্দেশ্যে এক বর্বরোচিত হামলা চালায় মেয়রের মনিরামপুরস্থ বাসায়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় পুলিশের উপস্থিতিতেই সন্ত্রাসীরা মেয়রের বাসায় হামলা চালায়।
নিহত শিমূলের স্ত্রী ০৩.০২.২০১৭ ইং তারিখে শাহজাদপুর থানায় বাদী হয়ে মেয়র মিরুসহ তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে এবং মেয়র

No comments:
Post a Comment